Sunday, August 4, 2019

১২ কোটি টাকা ব্যায়ে তৈরি হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম সাইবার জিম

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) স্থাপিত হবে দেশের প্রথম সাইবার জিম।সাইবার হামলা থেকে রক্ষা পেতেই মূলত এই জিমে প্রশিক্ষন চলবে।


রোববার (৪ আগস্ট) এমআইএসটি এর অ্যাকাডেমিক ভবনে 'বিশ্বব্যাপী সাইবার হুমকি এবং বাংলাদেশের প্রস্তুতি' শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।তিনি ঘোষণা দেন প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যায়ে দেশের প্রথম সাইবার জিম প্রতিষ্ঠা করে হবে।

তিনি তার বক্তবে আরো বলেন। প্রযুক্তি যত বাড়বে তত তার অপব্যাবহার ও বাড়বে। যদি আমরা এই অপব্যাবহারের ঝুকি মোকাবেলা করতে না পারি, তাহলে আমাদের পিছিয়ে যাবো। তারই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আমরা এমআইএসটিতে দেশের প্রথম সাইবার জিম স্থাপন করতে যাচ্ছি।


অবশেষে বাজারে আসছে গুগল পিক্সেল ফোর

আলোচনার শেষ নেই গুগ্লের নতুন স্মার্ট ফোন পিক্সেল ফোর কে ঘিরে। এই বছরের শেষেই বাজারে আসতে চলেছে পিক্সেল ফোর। বিভিন্ন্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এর মাধ্যমে যানা যাচ্ছে এই বছরের শেষের দিকেই বাজারে দেখা যাবে পিক্সেল ফোর।



গেজটস ৩৬০ ডিগ্রির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক মাস পরেই বাজারে আসতে পারে গুগল পিক্সেল ফোর। এই ফোন সম্পর্কে ইতিমধ্যে একাধিক তথ্য সামনে এসেছে। যদিও সঠিক ভাবে কোন তথ্য নিশ্চিত করে নি গনমাধ্যম টি।

গেজেটস ৩৬০ ডিগ্রি জানিয়েছে, ২০১৯ সালেই প্রথম কোন পিক্সেল সিরিজ স্মার্ট ফনের পেছনে একাধিক ক্যামেরা ব্যাবহার হবে। তাছাড়া সম্প্রতি গুগল পিক্সেল ফোর স্মার্টফোনের টিজার প্রকাশ করেছে গুগল। টিজারে এই ফোন টিতে দেখা গেছে নতুন কয়েকটি অসাধারন ফিচার।জা এর আগে পিক্সেল সিরিজের অন্য কোন ফোনে দেখা যায় নি।

সম্প্রতি প্রকাশিত ২২ সেকেন্ডের এক টিজার ভিডিওতে গুগল জানিয়েছে, পিক্সেল ফোর স্মার্টফোনে থাকছে হ্যান্ডস ফ্রি সাপোর্ট, যা ব্যবহার করে কোম্পানির পরবর্তী ফ্ল্যাগশিপ ফোনের একাধিক কাজ করা যাবে। এছাড়া ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার না করে ফেস আনলকের জন্য থাকছে বিশেষ সেন্সর। সোলি নামের একটি রাডার বেসড সিস্টেম ব্যবহার করে এই ফিচার কাজ করবে। গত পাঁচ বছর ধরে এই প্রযুক্তি তৈরি করেছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি।

সেই ২০১৫ সালের দিকে গুগল সোলি রাডার সিস্টেম নিয়ে কাজ শুরু করেছিলো। এই সিস্টেমের মাধ্যমে ফোনের সামনে হাত নাডাচাড়া করে বিভিন্ন কাজ করা যেতো।

Saturday, August 3, 2019

Oppo ফোন কিনে লাখপতি হওয়ার সুযোগ। ঈদ অফার।

ঈদ উপলখ্যে অফার চালুতে পিছিয়ে নেই অপো। ১৫ আগোস্ট এর মধ্যে যে কোন অপো ফোন ক্রয় করলেই পাচ্ছেন নানান ঈদ অফার।



বাংলদেশে ৫ বছর পূর্তি এবং ঈদ -উল আযহা উপলখ্যে স্মার্টফোনায় কেনা অফার ঘোষণা করেছে চীনা ব্রান্ড অপো।

নির্দিষ্ট মডেলের স্মার্টফোন কিনলে বালি ভ্রমন, লাখপতি হওয়ার অফার দিচ্ছে অপো।

তাছাড়া অপো এ৫এস, এ৭, এফ১১ সিরিজ এবং অপো রেনো কিনলেই পেয়ে জাচ্ছেন শতভাগ মুল্য ছাড় ও বিভিন্ন পুরুস্কার।

লটারিতে বালি ভ্রমণ এবং লাখপতি ছাড়াও নিশ্চিতভাবে তাৎক্ষণিক শতভাগ মূল্যছাড়, ওয়্যারলেস হেডফোন, সেলফি স্টিক, গিফট বক্স এবং ইন্টারনেট বান্ডেল অফার পাবেন ক্রেতারা।

অপো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেমন ইয়াং বলেন, দেশে অপোর পাঁচ বছর পূর্তি গর্বের ও আনন্দের। দেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এমন আয়োজন।  বাংলালিংকে প্রতিদিন ২০ এমবি ফ্রি নিন

পোস্ট ভিজিট সম্পূর্ণ করুন

সঠিক ভাবে ১০ সেকেন্ড পোস্ট টি দেখুন। তারপর নিচের বাটনে ক্লিক করুন।



Wednesday, April 25, 2018

যে ১০ টি পন্য নষ্ট হলে আর ঠিক হয় ন।অবিশ্বাস্য

যে ১০ টি পন্য নষ্ট হলে আর ঠিক হয় ন।অবিশ্বাস্য
তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে কোনো ডেমেজ ডিভাইস রিপেয়ার করতে এখন আর ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিয়ারিং এর উপর পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না। ছোটখাট যেকোনো রিপেয়ারিংয়ের কাজ আমরা সবাই টুকটাক করতে পারি। এই যেমন নতুন বাসায় কম্পিউটার সেট করা। আগেকার দিনে সিপিইউ ও মনিটরের তাঁরগুলো সেটআপ করে দেবার জন্য ৩০০ টাকা দেওয়া লাগতো আইটি ম্যানকে! চিন্তা করা যায় কোন জায়গা থেকে আমরা কতদূর এগিয়ে এসেছি? এছাড়াও বর্তমানে ইউটিউবে রিপেয়ারিং এর উপর বিভিন্ন টিউটোরিয়াল রয়েছে যেগুলো ফলো করলেই যেকেউ টুকটাক রিপেয়ারিং এর কাজ করে নিতে পারবে
তবে আর ডেমেজকৃত ডিভাইসের যদি ওয়ারেন্টি থাকে তাহলে শুধু শুধু নিজে কস্ট করে রিপেয়ারিং করতে যাবেন কেন, সরাসরি ডিভাইসটি নিয়ে চলে যান কাস্টমার কেয়ারে। আর ওয়ারেন্টি না থাকলে সমস্যার ভিক্তিকে নিজে অথবা সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে ডিভাইসটি ঠিক করানোর চেষ্টা করতে পারেন।
কিন্তু কিছু কিছু ডিভাইস রয়েছে যেটা একবার নস্ট বা ডেমেজ হয়ে গেলে রিপেয়ারিং করা প্রায় অসম্ভব। যেমন বাংলাদেশে মাইক্রোম্যাক্স কোম্পানির স্মার্টফোনগুলোর কোনো খুচরা যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় না বিধায় এগুলোর কোনো কিছু নস্ট হয়ে গেলে পুরো স্মার্টফোনটাকেই ফেলে দিতে হয়। আবার বাংলাদেশে আপনি আইপড ন্যানোর ব্যাটারী খুঁজে পাবেন না এবং সাধারণ ভাবে আইপডের ব্যাটারী রিপ্লেস আপনি নিজেও করতে পারবেন না ইত্যাদি।
আজকের টিউনে আমি ১০টি এমন কিছু টেকনোলজি পণ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরবো যেগুলো নস্ট হলে সেটা রিপেয়ার করা প্রায় অসম্ভব। সেটা রিপেয়ার করার চাইলে ওয়ারেন্টি থাকলে রিপ্লেসমেন্ট এর জন্য আবেদন করা কিংবা নতুন ডিভাইস কেনাটাই উত্তম। তো চলুন দেখে নেই কি কি পণ্য রিপেয়ার করা প্রায় অসম্ভব:

নিনটেনডো 2DS XL

হ্যান্ডহেল্ড কাস্টম গেমিং ডিভাইসের মধ্যে নিনটেনডো ব্রান্ডের গেমিং কনসোলগুলো অন্যতম। তাদের মধ্যে একটি হলো নিনটেনডো 2DS XL। কিন্তু এই ডিভাইসটি একবার ডেমেজ হয়ে গেলে সেটা রিপেয়ার করা প্রায় অসম্ভব। কারণ নিচের দিকে ৩টি ট্রিপয়েন্ট স্ক্রু খোলার পর আপনি দেখে অবাক হয়ে যাবেন যে চার্জিং কানেক্টর আর হেডফোন জ্যাক র্পোট এই ২টি জিনিস সরাসরি মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত করা রয়েছে, অর্থ্যাৎ আপনি ডিভাইসটি নিচের দিক থেকে খূলতে পারবেন না। কিন্তু উপরের দিকে ডিসপ্লেটি খুলে নিয়ে তারপর ডিভাইসটি রিপেয়ার করা সম্ভব কিন্তু ডিসপ্লে টি আবারো সুক্ষভাবে সঠিক স্থানে বসানোটাই হলো ঝামেলা। কারণ ডিসপ্লেটি ভালো মানের আঠা দিয়ে বাসানো থাকে সেটা খোলার সময় অধিকাংশ সময়ে ডিসপ্লেটি ভেঙ্গে যেতে পারে। তাই এই ডিভাইসটি রিপেয়ার করা প্রায় অসম্ভব। আর বাংলাদেশে বসে এটি রিপেয়ার করার চিন্তা করাটাও বোকামি!

এমাজন ইকো শো

স্মার্ট যুগে স্মার্ট হোম স্পিকার এমাজন ইকো শো বর্তমানে অনেক ঘরেই ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু আপনি জানেন কি এই ডিভাইসটি রিপেয়ার করা প্রায় অসম্ভব? কেন? কারণ এর ডিসপ্লেটি ডিভাইসের একদম মাঝে এমন ভাবে বসানো হয়েছে যেটা না ডেমেজ করে তুলে আনা প্রায় অসম্ভব। আর এর বাটন এবং পাওয়ার জ্যাকও সরাসরি মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত। তাই এটি ডেমেজ হয়ে গেলে সরাসরি এমাজন সার্ভিস স্টোরে নিয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানে কাজ।

স্যামসং গ্যালাক্সি নোট ৮

গ্যালাক্সি নোট ৭ এর ব্যাটারী বিস্ফোরণের কথা নিশ্চয়ই ভুলে যান নি? তাহলে এবার গ্যালাক্সি নোট ৮ নিয়ে আপনি কি নিশ্চিন্ত? কিন্তু এটা শোনার পর আর নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন না। কারণ স্যামসং গ্যালাক্সি নোট ৮ ডিভাইস টি এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে সেটার কোনো খুচরা যন্ত্রাংশ নস্ট হয়ে গেলে পুরো ডিভাইসটিই আপনাকে ফেলে দিতে হবে। কারণ ডিভাইসটির সামনের এবং পেছনের প্যানেলগুলো তৈরি করা হয়েছে স্ট্রং adhesive দিয়ে। আর ডিভাইসটির ব্যাটারী রিপ্লেসমেন্ট করাও যাবে না। তাই নোট ৮ এর ওয়ারেন্টি উর্ত্তিণ হয়ে যাবার পর এটি একটু সাবধানে ব্যবহার করুন।

অ্যাপল আইম্যাক ২১.৫ ইঞ্চি ৪কে (২০১৭)

অ্যাপল ডিভাইসগুলোই সাধারণভাবে রিপেয়ার করতে একটু বেগ পোহাতে হয় আমাদের টপ সার্ভিসিং ম্যানদেরকেও। আর এক্ষেত্রে অ্যাপল আইম্যাকও কোনো ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু আপনি এই ডিভাইসের ডিসপ্লে গ্লাস ও রেটিনা পরিবর্তন করতে পারবেন না কারণ এই দুটি একসাথে Fused করে বানানো হয়েছে। আর এদেরকে ডেমেজ করা ছাড়া এদেরকে আলাদা করা অসম্ভব। কিন্তু এই ডিভাইসের র‌্যাম রিপ্লেস করা যায় তবে র‌্যামে অবস্থায় অনেক ভেতরে হওয়ায় প্রায় অনেককিছু খুলে নিয়ে তার সেখানে আপনি পৌঁছাতে পারবেন।

অ্যাপল আইপ্যাড পঞ্চম প্রজন্ম (২০১৭)

আপনি যদি 5th Gen এর আইপ্যাড ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এখন থেকে এটা খুব সাবধানে ব্যবহার করবেন। কারণ এই ডিভাইস একদমই UNREPAIRABLE! কারণ এর পিছনের দিকে ব্যাটারী সহ প্রায় সব কিছুতেই শক্তিশালি আঠা ব্যবহার করা হয়েছে এবং সামনের এলসিডি ডিসপ্লেতেও Sticky tape ব্যবহৃত হয়ে যা খুলতে গেলে ডিসপ্লেটাই ভেঙ্গে যাবার সম্ভাবনা থাকে প্রায় ৯৫%!

মাইক্রোসফট সারফেইস বুক ২

সারফেইস বুক ২ একটি চমৎকার ডিভাইস। এটি ল্যাপটপের স্মার্টনেসকে আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু আপনি জেনে হতাশ হবেন যে এই ডিভাইসটি রিপেয়ার করা প্রায় অসম্ভব। কারণ এর ব্যাটারী, ডিসপ্লে এবং বেইস কভার adhesive দিয়ে বেশ ভালো করেই টাইট ভাবে বসানো থাকে। আর বাকি যন্ত্রাংশগুলো পেছনে মাদারবোর্ডের নিচে থাকে আর সেগুলো রিপেয়ার করতে গেলে আপনাকে মাস্ট প্রথমে মাদারবোর্ডটি খুলে নিতে হবে যেটা করা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ একটি কাজ।

অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো ১৩” উইথ টচ বার

ম্যাকবুক প্রোর পেছনের শুধুমাত্র কেসিংটা আপনি স্ট্রু ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে খুলতে পারবেন ব্যস। আর কিছু করা যাবে না এই ডিভাইসটিতে। কারণ এর ব্যাটারীটা কেইসের সাথে আঠা দিয়ে বেশ ভালো করেই বসানো থাকে। আর এর সিপিইউ, র‌্যাম এবং মেমোরী গুলো সরাসরি মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে তাই এটি রিপেয়ার করা অসম্ভব। তাই সাবধানে ব্যবহার করাই শ্রেয়।

মাইক্রোসফট সারফেইস প্রো (২০১৭)

মাইক্রোসফটের চমৎকার ল্যাপটপ মডেল হচ্ছে Surface Pro কিন্তু এটির কোনো কিছু রিপেয়ার করতে হলে আপনাকে মাস্ট এর ডিসপ্লে টা খুলে নিতে হবে কারণ নিচের দিক থেকে এর খোলার কোনো অপশন নেই। আর এর ডিসপ্লেটি ডেমেজ না করে খোলার উপায়ও কম তাই এটি রিপেয়ার করা প্রায় অসম্ভব একটি কাজ।

অ্যাপল এয়ারপডস

অ্যাপলের নতুন আইফোনের মডেলের সাথে এর হেডফোনগুলোকেও স্মার্ট বানানো হয়েছে। আর একই সাথে এই এয়ারপডসগুলোকেও রিপেয়ার করতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হবে আপনাকে। বলতে গেলে এটি রিপেয়ার করা একদমই অসম্ভব। কারণ এর ৯৭% কম্পোনেন্টসকে আঠা দিয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে যা একবার খুলে ফেললে আর আগের স্থানে সঠিক ভাবে বসানো যায় না। তাই এয়ারপডসগুলো সাবধানে ব্যবহার করা উচিত।

অ্যাপল ম্যাকবুক (২০১৭)

অ্যাপল ম্যাকবুক মডেলগুলো রিপেয়ার আপনি সবর্ত্র করতে পারবেন না। আর যারা এই দু:সাহসীক কাজ টা করবে তাদেরকেও বেশ বাগ পোহাতে হয়। কারণ ম্যাকবুকের প্রসেসর, র‌্যাম এবং হার্ডড্রাইভ সরাসরি মাদারবোর্ড এর সাথে যুক্ত থাকে যার কারণে এগুলো খোলা যায় না। আর এর রেটিনা ডিসপ্লেতে কোনো ধরনের প্রটেক্টিভ গ্লাস নেই যার কারণে এটি খোলার সময় ভেঙ্গে যাবার চান্স অনেক থাকে। আর এর ব্যাটারীকে শক্তিশালি আঠার সাহায্যে কেইসে ফিট করে বাসানো হয়। তাই এটি রিপ্লেয়ার করা প্রায় অসম্ভব।
তো এই ছিলো দামী ব্রান্ডের কিছু Unrepairable ডিভাইস। আপাতত দৃস্টিতে এগুলো নেগেটিভ পয়েন্ট হলেও আসলে ডিভাইসগুলোর কোয়ালিটি এতটাই ভালো হয় যে এগুলো খুব সহজে নস্ট হয় না তাই এগুলোতে রিপেয়ারের চান্স দেওয়া হয়নি। উদাহরণ স্বরুপ আমি বলতে পারি নরমাল ব্রান্ডের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন আমরা অহরহ নস্ট বা ডেমেজ হতে দেখি কিন্তু আইফোন নস্ট হয়েছে এটা আমরা খুবই কম দেখতে পাই। হ্যাঁ আপনি চলন্ত বাস থেকে আইফোন ফেলে দিলে কিংবা মটরসাইকেলে চাকার নিয়ে আইফোন চালান করে দিলে সেটা নস্ট হবেই! হাহাহা।

Remote Work Culture বিশ্ব মাতানো ১০ টি কোম্পানি


আর এরই মধ্যে বিশ্বের রিমোট ওর্য়াক সেক্টরে বেশ কিছু কোম্পানি তাদের চমক দেখিয়ে যাচ্ছে। আর আমি আজ আপনাদের জন্য বিশ্বের শীর্ষ ১০টি কোম্পানির কথা বলতে এসেছি যারা রিমোট ওর্য়াক কথাটাকে তাদের কোম্পানির কাজের মাধ্যমে আমাদেরকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে সরাসরি টিউনের মূল বিষয়বস্তুতে চলে যাই:

১) অটোমেট্রিক

Automattic হলো রিমোট ওর্য়াক কালচারের একদম শুরুর দিকের একটি কোম্পানি যারা রিমোট ওর্য়াক নিয়ে বেশ কাজ করেছেন। বর্তমানে এই কোম্পানির ভ্যালু প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের উপরে ছাড়িয়ে গিয়েছে। অটোমেট্রিক কোম্পানিটি WordPress.com তৈরি করেছে এবং এরা বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রডাক্ট এবং সার্ভিস দিয়ে আসছে। তাদের কোম্পানিটি বিশ্বের সকল ওয়েবসাইটের ২৪% দখল করে আছে এবং তাদের ৪০টির বেশির দেশে প্রায় ৪০০ জনের বেশি টিম মেম্বার রয়েছে। এরা সকলেই রিমোট ওর্য়াকের মাধ্যমে তাদের কাজগুলো নির্বাহ করে থাকেন! মূলত অটোমেট্রিক এর কোনো ফিজিক্যাল কোনো অফিস বিশ্বের কোথাও নেই! চিন্তা করা যায় ব্যাপার টা? বিলিয়ন ডলারের কোম্পানির কোনো ফিজিক্যাল অফিস নেই! তো কোনো ফিজিক্যাল অফিস ছাড়াই তারা তাদের এই বিশাল স্টাফদের খুশি রাখছেন কিভাবে?

ইমেইল কিংবা সামাজিক মাধ্যমে কড়াভাবে এরা যোগাযোগ না রেখে সকল স্টাফদের সাথে কমকর্তারা উন্মুক্তভাবে যোগাযোগ স্থাপন করেন এবং এটি হচ্ছে তাদের স্টাফদের খুশি রাখার সিক্রেট। ইমেইলের বিপরীতে এনারা চ্যাট এর ব্যবহার করে থাকেন এবং তাদের নিজস্ব গুগল এলার্ট সিস্টেমের মতো একটি ব্লগ রয়েছে যার মাধ্যমে এনারা তাদের সকল অফিসিয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।

আর মজার ব্যাপার হলো তারা কোনো প্রকার ভয়েস ইন্টারভিউ ছাড়াই তাদের নতুন কর্মীদেরকে নিয়োগ করে থাকেন। তারা কিভাবে নতুন কর্মী নিয়োগ করে থাকেন তা নিচে আমি বুলেটিন আকারে দিয়ে দিলাম:

> কোম্পানির CEO নিজে সকল সিভি চেক করে থাকেন এবং গ্রিন লেটার পাঠিয়ে থাকেন,

> এরপর নির্বাচিত কর্মীদেরকে একটি নোট পাঠানো হয়ে থাকে

> তারপর তাদেরকে স্কাইপে আমন্ত্রণ জানানো হয়, যেখানে স্কাইপ চ্যাটে একধরণের Q&A পরীক্ষা হয়ে থাকে

> প্রতিজনকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট প্রজেক্ট কমপ্লিট করতে হয়
> তারপর কোম্পানির CEO ফাইনাল একটি চ্যাট স্কাইপের মাধ্যমে করে থাকেন।

এছাড়াও কোম্পানির রিমোট ওর্য়াকের সিক্রেট সাকসেস এর জন্য তাদের টিম মেমবারদের আগ্রহী মনোভাব, উন্নত ধরনের টেকনোলজিক্যাল যন্ত্রপাতির সরবরাহতা, হোম অফিসের কার্যকারীতা বৃদ্ধি, কর্মীদের সুবিধামতো ছুটি নির্ধারণ, বছরে একবার প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মীদের কে নিয়ে একটি সুন্দর লোকেশনে গ্রান্ড মিটআপ এর আয়োজন এবং কর্মীরা তাদের নিজের শিডিউল নিজেরাই তৈরি করে থাকেন। আমাদের রিমোট ওর্য়াকের আজকের লিস্টে তাই এখন প্রথমেই রয়েছে Automattic প্রতিষ্ঠানটি।

২) বাফার!

প্রায় ৪২টি মেম্বার নিয়ে Buffer কোম্পানিটি বর্তমানে বিশ্বের রিমোট ওর্য়াক কালচারে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বিশ্বের সকল দেশের টাইম জোনের সাথে তাদের কর্মীদের টাইম জোনের মিল রেখে বাফার এখন সপ্তাহের ৭দিনই ২৪ ঘন্টা তাদের সার্ভিসটি দিয়ে আসছে। বাফার তাদের টিম মেম্বারদেরকে সম্পূর্ণ রিমোট ওর্য়াকের মাধ্যমে তাদের কার্যা নিবার্হ করে থাকে। তারা মুলত ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভিডিও কনফেরেন্সিং এর মাধ্যমে তাদের স্টাফদের সাথে যোগাযোগ বজায় রেখে থাকে। এছাড়াও চ্যাট এবং টাইম জোনের সাহায্যে তারা অনান্য কাজগুলোও নির্বাহ করে থাকে। এছাড়াও স্টাফদের লোকেশনের উপর ভিক্তি করে তাদের স্যালারী নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যেটি আসলেই কার্যকরী হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি তাদের সকল স্টাফদের জীবিকা নির্বাহ করা সহজ করে দিয়েছে। বাফার কোম্পানির বিজনেস ডেভেলপমেন্ট লিড, Rodolphe Dutel তার কোম্পানির রিমোট ওর্য়াকের প্রডাক্টিভিটি বাড়ানেরা জন্য ৫টি কৌশল শেয়ার করেছেন, এগুলো হচ্ছে:

> ঝামেলা এড়ানোর জন্য এড ব্লকার ব্যবহার করা

> সরাসরি ক্লিক না করে দরকারী এবং ইন্টারেস্টি আর্টিকেলগুলোকে সংরক্ষণ করে রাখা, পরবর্তীতে অবসর সময়ে সঠিক ভাবে আর্টিকেলটি পড়ে নেয়া

> অনান্য বন্ধু কোম্পানির সাথে তথ্য আদান প্রদান করা

> অডিও বুকস এবং ভিডিও লার্নিং এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখে নেওয়া এবং

> এবং সময়কে যথাযথ ভাবে কাজে লাগানো।

অটোমেট্রিকের মতোই বাফার কোম্পানিটিও তাদের সকল স্টাফদের কে নিয়ে ৫ মাস অন্তর অন্তর একটি মিটআপে চলে আসেন। আর প্রতিনিয়ত তাদের স্টাফ মেম্বার বেড়ে চলার কারণে তারা মিটআপগুলোকেও আরো ঘন ঘন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


৩) জাপিয়ার

আমাদের আজকের রিমোট ওর্য়াক লিস্টে তৃতীয় স্থানে রয়েছে Zapier কোম্পানিটি। এই কোম্পানি এত পরিমাণে রিমোট ওর্য়াক করে আসছে যে তারা রিমোট ওর্য়াকের উপর একটি এক্সটেনসিভ গাইডও লিখে ফেলেছে!

মূলত জাপিয়ার কোম্পানিটি আপনার দৈনিক জীবনের যাবতীয় কাজকর্মকে অটোমেটিক টাস্কে পরিণত করে আনে এবং আপনার হার্ডওর্য়াককে কমিয়ে আনার চেস্টা করে থাকে। তারা Work Hard এর থেকে Work Smart নীতিতে বিশ্বাসী।

জাপিয়ার কোম্পানির মার্কেটিং টিমের সদস্য Danny Schreiber তাদের কোম্পানির রিমোট ওর্য়াকের সাফল্যের জন্য কিছু নোট পয়েন্ট আকারে বিভিন্ন জায়গায় বলেছেন। নিচে পয়েন্টগুলো তুলে ধরা হলো:

> তারা কমিউনিকেশনের জন্য Slack ব্যবহার করে থাকেন

> বিভিন্ন ব্লগ টিউনের জন্য তারা Trello ইডিটরিয়াল ক্যালেন্ডার বোর্ড ব্যবহার করে থাকেন

> সাপ্তাহিক মার্কেটিং মিটিং নোটসের জন্য গুগল ডকস ব্যবহার করে থাকেন।

> যাবতীয় শিডিউল, ছুটির দিন ইত্যাদি মার্কিং করার জন্য গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে থাকেন

> নিজস্ব আলাদা ব্লগ রয়েছে

> রয়েছে নিজস্ব ইমেইল মেসেজিং সার্ভিস


এগুলো ছাড়াও জাপিয়ার তাদের কর্মীদেরকে নিয়মিত উৎসাহ দেবার জন্য নিচের পদক্ষেপগুলোও অনুসরণ করে থাকে:

> Slack এ যাবতীয় ওর্য়ানিংস, খবর, এবং অনান্য টাস্ক রিলেটেড নিউজ নিয়মিত দিয়ে থাকে

> ডকুমেন্টেশন এবং নোটস এর জন্য Hackpad ব্যবহার করে

> মার্কেটিং কাজে বা কাস্টমার সার্পোটে তারা দ্রুত GIF ব্যবহার করার জন্য RecordIt ব্যবহার করে

> একই কলে প্রায় ২৫ জনের বেশি লোক ভিডিও কনফারেন্সিং এর সুবিধা নিয়ে তারা Zoom ব্যবহার করে থাকে

> এছাড়াও হাই কোয়ালিটির স্ক্রিণশট নেবার জন্য Screenflow ব্যবহার করে থাকে

> দীর্ঘসময় পিসি কাজ করার ফলে চোখে ব্যাড আলো পড়ার থেকে মুক্ত রাখতে Flux ব্যবহার করে থাকে।

আর অনান্য টিমের মতোই জাপিয়ার টিমও তাদের সকল মেম্বারদের নিয়ে মাঝে মাঝেই গেট টু গেদারে চলে আসে।

৪) গ্রুভ

রিমোট ওর্য়াকার হিসেবে ব্যবসায় ক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়াটা আজকাল খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু Groove কোম্পানিটি ব্যবসা ক্ষেত্রে সফলতার সাথে সাথে রিমোট ওর্য়াক কালচারেও বেশ সফল একটি কোম্পানি হিসেবে বর্তমান যুগে বিবেচিত হয়ে থাকে। তারা মূলত রিমোট ওর্য়াকের সাধরণত নিয়মে না যেয়ে কোম্পানির নিজস্ব কালচার, প্রিন্সিপালস, ভিশন এবং কর্মীদের কাজের habits এর উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তাদের মতে রিমোট ওর্য়াকে সাফল্যে জন্য একমাত্র পথ বা উপায় হচ্ছে ভালো রিমোট ওর্য়াকারস সংগ্রহ করা।


আর ভালো রিমোট ওর্য়াকারের জন্য নিচের ৩টি বৈশিষ্ট্য একজনের মধ্যে থাকা জরুরী:

> ব্যক্তিটির আগে রিমোট ওয়ার্কার হিসেবে কাজ করার অভিঞ্জতা থাকতে হবে কিংবা নিজস্ব ছোটখাট বিজনেস থাকতে হবে

> ম্যাচিউর ডিসিশন নেবার ক্ষমতা থাকতে হবে, কাস্টমারদের বিভিন্ন প্রশ্নের ঝটপট উত্তর দিতে হবে

> কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে এক্সট্রাঅর্ডিনারী গুণ-সম্পন্ন হতে হবে।

অনান্য সাকসেসফুল রিমোট টিমের মতোই গ্রুভও কখনো তাদের কর্মীদের কাছ থেকে ১০০% পারফেক্ট কাজ আশা করে না, আবার সকল সময় ডেস্কের সামনে বসে বসে কাজ করবে সেটাও আশা করে না। কাজের ক্ষেত্রে কর্মীদের স্বাধীনতা দেওয়া হয়ে থাকে গ্রুভে, তাছাড়া স্বাধীনতা না দিয়ে রিমোট ওর্য়াক সেক্টরে সফলতা আশা করা যায় না। তাই কর্মীদের তাদের সারাদিনের ভেতর যখন সবথেকে বেশি productive অবস্থায় থাকবে ঠিক তখন তারা রিমোট ওর্য়াক করবে এটাই গ্রুভ তাদের কর্মীদের কাছ থেকে আশা করে থাকে। এছাড়াও কোন কর্মী কোন প্রজেক্টের উপর কাজ করছে সেটার ব্যাপারে সবাই সিংঙ্ক থাকাটাও জরুরী। এজন্য গ্রুভ প্রতিদিন সকালে Slack এ একটি স্ট্যান্ডআপ মিটিংয়ের ব্যবস্থা করে থাকে যেখানে কে কি প্রজেক্টে কাজ করছে সেটা সবাই ডিসকাস করতে পারে। এছাড়াও Slack এ তাদের একটি পারসোনাল চ্যাট গ্রুপ রয়েছে যেখানে তারা কাজ ব্যাতিত অনান্য সকল বিষয় নিয়ে সবার সাথেই খোলামেলা আলোচনা এবং পরামর্শ আদানপ্রদান করতে পারে।

৫) বেইসক্যাম্প

রিমোট ওর্য়াক কালচারে Basecamp কে গডফাদার হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে, বেইসক্যাম্প মূলত আগে 37Signals হিসেবে পরিচিত হয়ে ছিল। তারা রিমোট ওর্য়াকের উপর তাদের Remote and Rework বইয়ের জন্যেও বিশ্বে টেকনোলজি বান্দাদের মাঝে জনপ্রিয়। রিমোট ওর্য়াকে বেইসক্যাম্পের সাফল্যে মূল কারণ হলো তারা কাজের পরিবর্তে লাইফকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। কারণ কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হলে কাজ এমনি এমনি ভালো হয়ে থাকে। আর বেইসক্যাম্পের লিডারসরা লোকজনদের কে বিভিন্ন সময় তাদের প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে বিভিন্ন প্রশ্ন করে থাকে এবং তাদের উত্তরগুলোকে বেশ প্রাধান্য দিয়ে থাকে তারা। এছাড়াও কোনো কাজের সাফল্যে ব্যাপারে তাদের মূলমন্ত্র হলো রিমোট ওর্য়াকে কোনো ব্যক্তির সাফল্য নির্ভর করে উক্ত কাজের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহের উপর। তাই বেইসক্যাম্প তাদের সকল কাজকে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে সম্পন্ন করার চেষ্ঠা করে থাকে। এছাড়াও রিমোট ওয়ার্কে সাফল্য পেতে হলে তারা কর্মীদের কাজের উপর সময়ের রুটিনকে বিশেষ ভাবে প্রাধান্য দিতে বলেছেন। কারণ রিমোট ওর্য়াকে সময়ের কাজ সময় মতো করা উচিত। এক সময়ের কাজ উক্ত সময়েই সম্পন্ন করা উচিত, পরবর্তীতে সময়ে কাজটি করা হলেও আগের থেকে সেটার গুরুর্ত্ব তখন কমে যায়। তাই রিমোট ওর্য়াকে টাইম রুটিন মেইনটেইন করা খুব জরুরী। বেইসক্যাম্প বিশ্বাস করে যে কাজ হওয়া চাই চ্যালেঞ্জিং, ইন্টারেস্টিং এবং একই সাথে এনগেইজিং, তাহলে কাজের উপর কর্মীদের আগ্রহ এবং দ্রুত কাজ সঠিক ভাবে সম্পন্ন করার প্রবণতা থাকবে।

৬) বেয়ারমেট্রিক্সস

গ্রুভের মতোই বেয়ারমেট্রিক্সস কোম্পানি তাদের কাজের সাফল্যে জন্য প্রফেশনাল রিমোট ওয়ার্কারসদের কে তাদের কোম্পানিতে নিয়োগ দিয়ে থাকে। যারা সেলফ-মটিভেট এবং মেজর প্রবলেব সলভ করার ক্ষমতা রাখেন তারাই শুধুমাত্র বেয়ারমেট্রিক্সসে যোগদান করতে পারবেন। এছাড়াও বেয়ারমেট্রিক্সস সেসকল লোকদেরকেও নিয়োগ দিয়ে থাকে যারা ভালো বই লিখে থাকেন। এছাড়াও বেয়ারমেট্রিক্সসের কাজের মূল মন্ত্র হলো Self-care। সেলফ কেয়ারে সাফল্য পেতে হলে তারা যে সকল স্টেপস অনুসরণ করে থাকেন সেগুলো হলো:

> দিনের মধ্যে সুবিধাজনক সময়ে ওর্য়াক আওয়ার সেট করে নেওয়া


> প্রতিদিন কাজ নিয়ে এক্সারসাইজ করা

> সকল সময়ে বসে বসে কাজ করা থেকে বিরত থাকা, বসে কাজ করা এবং দাড়িয়ে কাজ করার সাথে সময়ের সাথে পরিবর্তন আনা

> ভালো মতো খাওয়া দাওয়া করা

> এবং নিয়ম মতো কাজ থেকে ব্রেক নেওয়া

এরাও মাসের একটি নির্দিষ্ট দিনে কোম্পানি রিট্রিটের আয়োজন করে থাকে যেখানো কোম্পানির সকল কর্মীরা ফেস টু ফেস আলোচনা এবং আড্ডায় মেতে উঠে।

৭) ট্রি হাউজ

Treehouse একটি রিমোট ওর্য়াক বেইসড কোডিং কোম্পানি, এরা মূলত লোকদেরকে কম্পিউটার কোডিং শিখিয়ে থাকে। ট্রি হাউজের বর্তমান স্টাফ রয়েছে প্রায় ১০০ জনের উপরে এবং তারা সকলেই সপ্তাহে চারদিন কাজ করে থাকে এবং বছরে কোম্পানিটি প্রায় ৮ লাখ মার্কিন ডলার লাভ কামিয়ে থাকে এবং তাদের এই লাভের পরিমাণটি প্রতি বছর বেড়েই চলেছে।

ট্রি হাউজের রিমোট ওর্য়াকের সাফল্যের মূল মন্ত্র হলো কর্মীদের একে অপরের প্রতি লয়ালিটি এবং বিশ্বাস। কোম্পানির ফাউন্ডার Ryan Carson বিশ্বাস করেন যে রিমোট ওর্য়াকে সাফল্যের জন্য কোম্পানির প্রতি আনুগত্যতা এবং কর্মীদের একে অপরের প্রতি বিশ্বাস থাকাটা অতি জরুরী। এছাড়াও কর্মীদের কাজের উপর সঠিক বেতন স্কেল নির্ধারণ করা এবং তাদের কাজের উন্নতির উপর তাদের বেতনের উন্নতি থাকাটাও অনুপ্রেরণার একটি জরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

ট্রি হাউস অটোমেট্রিকের মতো নিজস্ব ব্লগ ব্যবহার করে থাকে এবং যথাসময়ে গুগল ড্রাইভ এবং গুগল ড্র ব্যবহার করে থাকে। আর কোম্পানি প্রজেক্টগুলো ম্যানেজ করার জন্য তারা Trello ব্যবহার করে থাকে।

৮) ইনভিশন।


বিশ্বে রিমোট ওর্য়াক নিয়ে কাজ করে এমন আরেকটি কোম্পানি হলো InVision. এর মূলত দক্ষ রিমোট ওয়ার্কারদের দিয়ে ডিজাইনের কাজগুলো বিশ্বব্যাপী করে থাকে। তাদের বিশ্বের বহু দেশেই কর্মীরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আমাদের আজকের লিস্টের অনান্য দলের মতোই ইনভিশন কোম্পানিটিও মূলত কর্মীদের কমিউনিকেশনের উপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। তাদের কর্মস্থল বিশ্বব্যাপী হওয়ায় প্রতি ৫ কিংবা ৬ ঘন্টায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কর্মীরা নিয়মিত তাদের কোম্পানিতে রিমোটি ভাবে কানেক্টেড থেকে তাদের সার্ভিসকে সপ্তাহে ৭ দিন এবং দিনে ২৪ ঘন্টা করেই সার্ভিস প্রদান করতে সক্ষম হচ্ছে।

ইনভিশন প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা করে টিম রয়েছে। আর এই টিমগুলো তাদের প্রতিটি নতুন কাজের জন্য Slack এ আলাদা করে সেশন তৈরি করে এবং ভবিষ্যতের জন্য রেফারেন্স স্বরূপ জমা রেখে থাকে। তাদের সাফল্যে মূল মন্ত্র হলো প্রফেশনাল হোক কিংবা সাধারণ কর্মী হোক, একজন মানুষের কাজ তখনই ভালো হবে যখন তারা কমফোর্ট ভাবে কাজ করতে পারবে। তাই দিনে কখন আপনি ইনভিশনে ডিউটি করবেন সেটা আপনি নিজেই নির্ধারণ করে নিবেন।

৯) হেল্প স্কাউট।

বিশ্বে কাস্টমার সার্পোট সার্ভিস দিয়ে আসছে এই Help Scout কোম্পানিটি। এছাড়াও হেল্প স্কাউট কোম্পানিটি বিশ্বে রিমোট ওয়ার্ক কালচার নিয়ে কাজ করার জন্য আলাদা করে পরিচয় রয়েছে। যার কারণে কোম্পানিটি আমাদের আজকের লিস্টে রয়েছে। তারা তাদের ব্লগটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়ে রেখেছে অনেক আগে থেকেই। আপনি চাইলে তাদের ব্লগটি থেকে ঘুরে আসতে পারেন এখানে ক্লিক করে আর রিমোট ওয়ার্ক সম্পর্কে তাদের বিভিন্ন আর্টিকেলগুলোকে দেখে নিতে পারেন।

হেল্প স্কাউট প্রতি সপ্তাহের শুক্রবারে একটি ব্যতিক্রম ধর্মী আয়োজন করে থাকে। এরা প্রতিটি কর্মীকে প্রতি শুক্রবারে তাদের বিশ্বের যাবতীয় স্টাফদের থেকে র‌্যানডমলি ভাবে সিলেক্ট করে ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের একটি ভিডিও চ্যাটের ব্যবস্থা করে থাকে। এছাড়াও তারা তাদের কোম্পানির প্রতিটি নতুন স্টাফদেরকে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যম দিয়ে নিয়ে যায়। যেখানে একজন দক্ষ স্টাফ সেই নতুন স্টাফকে তার প্রথম প্রজেক্ট পর্যন্ত প্রতিটি স্টেপ বাই স্টেপ কাজগুলো হাতে কলমে বুঝিয়ে দেন এবং নতুন স্টাফের কাজগুলো পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। এছাড়াও নতুন স্টাফদের উপর তারা এই ড্রিলগুলোর করে থাকেন:

> নিয়মাফিক হারে কয়েক দিন অন্তর অন্তর নতুন স্টাফের কার্যাবলির পারফরমেন্সের উপর খেয়াল রাখা হয়।

> কোম্পানির সাফল্য স্টোরিলাইন থেকে নিয়মিত স্টোরি শেয়ার করা হয়।

> সাধারণ কিছু নিয়মমাফিক রূলস ফলো করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

> মাঝে মাঝে ভিডিও চ্যাট করা হয় স্কাইপে

১০) ক্লাউড পিপস


ইংরেজি ব্লগ সাইট ক্লাউড পিপসও আমাদের আজকের লিস্টে রয়েছে কারণ বিশ্বে রিমোট ওর্য়াক কালচারে তাদেরও বেশ অবদান রয়েছে তাই। ক্লাউড পিপসের মূল এডমিন প্যানেলের সদস্যরা আমেরিকার স্যান ফ্রান্সিস্কো আর ব্রুকলিনের হয়ে থাকলেও তাদের বিশ্বব্যাপী বেশ কয়েকটি টিম রয়েছে যারা রিমোটলি তাদের আন্ডারে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কাছে রিমোট ওর্য়াকের সাফল্যের জন্য ওপেন কমিউনিকেশন এবং স্পস্ট এবং ক্লিয়ার কাট কথাবার্তার প্রয়োজন রয়েছে।

ক্লাউড পিপস Github এবং Trello ব্যবহার করে তাদের টেক ওয়ার্কগুলো ম্যানেজ করে থাকে এবং Asana তারা তাদের নন টেক কার্যাবলির হিসেব নিকেশ করে থাকে। ক্লাউড পিপসের বিশ্বের কোনো না সদস্যা তাদের সার্ভারে দিনের ২৪ ঘন্টাতেই পালাক্রমে কাজ করতে থাকে। এছাড়াও ব্যক্তিগত চ্যাটের জন্য এরা Slack ব্যবহার করে থাকে। এবং অনান্য বড়সড় কোম্পানির মতো তারাও মাঝে মাঝে বিভিন্ন ভেকেশনে তাদের স্টাফদের সাথে গেট-টু-গেদারের আয়োজন করে থাকে।

তো, এরা হচ্ছে গ্লোবালি রিমোট ওর্য়াকিং নিয়ে কাজ করার অনুপ্রেরণা জাগিয়ে যাচ্ছেন তাদের লিস্ট। টিউনের শুরুতেই বলেছিলাম এবং টিউনের শেষে এসেও বলছি যে, আপনাদের প্রিয় বাংলা টেকনোলজি ব্লগ টেকটিউনসও সম্প্রতি রিমোট ওয়ার্কেও নাম লিখিয়েছে। আমরাও এখন রিমোট ওয়ার্কারদের টেকটিউনসে দেখতে পাচ্ছি। টেকটিউনসে আপনি একজন সম্মানিত সুপ্রিম টিউনার হিসেবে রিমোটলি জয়েন করতে পারেন, আপনি যদি বাংলায় দারুণ দারুণ এবং ইউনিক টেকনোলজি আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলেই টেকটিউনসের একজন সুপ্রিম টিউনার হিসেবে আবেদন করতে পারেন। টেকটিউনসও আপনাকে একটি মাসিক হ্যান্ডসাম পেমেন্ট স্কেল এবং আমাদের টেকটিউনসের বাৎসরিক বনভোজন বা গেট-টু-গেদারে আসতে পারবেন এবং টেকটিউনসের এডমিন প্যানেল এবং অনান্য সুপ্রিম টিউনারদের সাথে একটি চমৎকার বিকেলে আড্ডায় মেতে উঠতে পারবেন।

আশা করি আমার আজকের টিউনটি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে!